★★লেবু, মধু, পানীয় ★★

 ★★লেবু, মধু, পানীয় ★★

কারা খাবেন,কিভাবে খাবেন,কিভাবে খেলে সর্বোচ্চ উপকারীতা পাবেন?
★লেবু,মধু পানি মেটাবলিজম বাড়ায় তাই যাদের ডাইজেসনে সমস্যা আছে তারা খেতে পারেন।
★ ত্বক সুন্দর রাখে।
★কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমায়।
★যাদের ঠাণ্ডা লাগলে গলা খুসখুস করে তারা খেতে পারেন।
★যারা ব্রেইনে চাপ নিয়ে কাজ করেন তারা রিফ্রেশিং ড্রিংক হিসেবে পান করতে পারেন।
এবার আসি কীভাবে খাবেন? এক স্লাইস লেবু হাত দিয়ে না চেপে গ্লাসে নিয়ে তাতে উষ্ণ গরম পানি ঢেলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এবার ১ বা ১/২ চামচ মধু নিয়ে নেড়ে নিন।পানীয়টি ৯০ ডিগ্রী কোণে বসে পান করুন।আর একটি বিষয় হল লেবু বা মধুর পরিমাণ।লেবু বেশি হলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে আবার মধু ১ চামচের বেশি হলে এটি ওজন কমানো বা ডায়াবেটিক রোগীর জন্য ফলপ্রসূ হবে না।সুতরাং লেবু বা মধু বেশি দিলেই যে বেশি উপকার হবে এমন নয়।
কখন খাবেন? সাধারণত সকালে খালি পেটে এটি পান করে থাকেন অনেকে। কিন্তু যাদের সামান্য গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা সকালে না খেয়ে দুপুরে খাবারের ২০মিনিট পর বা বিকালে হেঁটে আসার পরও পান করতে পারেন।যাদের গ্যাস্ট্রিকের বেশি সমস্যা আছে তাদের এটি পান না করাই ভালো।
সবচাইতে আলোচিত বিষয় হল লেবু,মধু পানি ওজন কমাতে সহায়ক তার মানে এই না যে শুধু এটি পান করলেই ওজন কমে যাবে।এতে পেকটিন ফাইবার নামক উপাদান থাকে যা পাকস্থলীতে খাদ্যকে বেশি সময় ধরে রাখে ফলে ক্ষুধা কম লাগে। ওজন কমানোর জন্য অবশ্যই প্রাত্যহিক খাদ্য তালিকা মেনে চলা এবং ব্যায়াম এর মাধ্যমে কিছু ক্যালরি বার্ন করার পর যদি কেউ এই পানীয়টি পান করে তাহলেই শুধু এটি ফলপ্রসূ হবে।মনে রাখবেন ওজন কমানো একটা জার্নির মত।আপনার ওজন এক দিনে বাড়ে নি এবং ওজন কমানোর জন্য শুধু লেবু,মধু পানি পানের উপর নির্ভর করা ঠিক নয়।
লেবু,মধু,পানি বতর্মানে একটি জাতীয় পানীয়তে পরিণত হয়েছে।এটা এতই সুপরিচিত যে রোগীকে প্রেসক্রাইব করার আগেই বলে আপু লেবু,মধু পানি দিলেন না?লেবুর ভিটামিন সি, মধুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অবশ্যই উপকারী। তবে লেবু,মধু পানীয়ের তথ্য এত বেশি শেয়ারের পর এটি এমন মডিফাই হয়েছে যে এর উপকারীতার চাইতে অপকারীতার পরিমাণ বাড়ছে।লেবু,মধু পানি এমন কিছুনা যে এটা সবাইকে খেতেই হবে।সুতরাং লেবু,মধু পানীয়টি আপনার জন্য সঠিক কিনা পরামর্শ নিয়ে সঠিক সময় ও সঠিক পদ্ধতিতে পান করুন এবং সুস্থ থাকুন

Comments